Karigor > Products > Halal Life > Neem Oil Premium Quality (500 gram)

Neem Oil Premium Quality (500 gram)

There is no substitute for neem oil to improve hair and skin health. In addition to reducing infections, it also works well to reduce the incidence of various skin diseases. No regrets with neem oil!

৳ 740.00

Description

Here are 9 great benefits of neem oil:

1. Whitening skin: Do you want to have fair skin in a short time? Then do not forget to use neem oil in skin care! Because doing so increases the production of collagen inside the skin, which does not take time to improve skin tone.

2. Returns skin moisture: For those with dry skin, regular use of this oil reduces the problem a lot. Mix coconut oil or olive oil with neem oil and massage it all over the body every day and you will see that the skin has started to look beautiful.

3. Reduces the incidence of acne: Since neem oil has antioxidant properties, if it can be applied on the face, then the problem of acne starts to decrease. How to apply? To reduce acne, mix a few drops of neem oil with a few drops of lavender oil and apply on the acne.

4. Decrease the age of the skin: Even if the age of the body increases with time, the age of the skin does not increase. In fact, by doing so, the wrinkles begin to decrease. With that the skin is taut. As a result, it does not take time to reduce the age of the skin.

5. The problem of dandruff is eliminated: This type of skin problem is usually caused by a fungal infection, which is greatly reduced by the use of neem oil. This is where it ends. Neem oil is also used to reduce any type of scalp infection. How to use it? Mix a few drops of neem oil in the shampoo you use and apply it on the scalp daily. Then you will see how the problem has started to decrease.

6. Mosquitoes can’t even come close to the edge: As soon as the mosquito infestation increases in the house, we start applying various creams in the market. Did anyone know that neem oil is great for this type of problem? How to use? Very easy! Mix 10-15 drops of neem oil with half cup of coconut oil and apply on the skin. Then you will see that the mosquitoes can no longer come close to the edge.

7. It is useful in the treatment of skin infections: This type of infection is usually dirty. And when this disease occurs, the symptoms like pain in the legs appear. To reduce the incidence of this skin problem known as athlete’s foot, mix coconut oil with neem oil and apply it on the infected area. If you do this every day, you will see that the disease has started to decrease in a few days.

8. Reduces the incidence of eczema: Eczema is an inflammatory disease of the skin. Many people suffer from this type of skin problem for various reasons. Neem oil also works great to reduce the incidence of eczema. Applying neem oil on the area of ​​the body where eczema has occurred reduces the pain. But don’t forget to use neem oil directly on the skin. Instead, mix a few drops of neem oil in a little hot water and take a bath with it. If you do this every day, you will see that the disease has started to decrease.

9. Eliminates hyperpigmentation: As the amount of melanin in the skin increases, the risk of hyperpigmentation increases. If neem oil is mixed with coconut oil all over the body regularly, then the level of melanin decreases. As a result, hyperpigmentation also starts to decrease in a normal way.

10. Useful in skin care: Due to its antibacterial and anti-inflammatory properties, it is great for closing open pores of the skin. Mix neem oil with coconut oil and apply it on the face, then you will see that the problem has started to decrease.

Customer Reviews

Customer Rating

৳ 740.00
0
0 Ratings
Stars 5
(0)
Stars 4
(0)
Stars 3
(0)
Stars 2
(0)
Stars 1
(0)
Be the first to review “Neem Oil Premium Quality (500 gram)”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Reviews

There are no reviews yet.

Vendor Information

  • Store Name: Halal Life
  • Vendor: Halal Life
  • Address: 109, shohid farruk road, jatrabari
    dhaka
    Dhaka
    1204
  • No ratings found yet!
  • Standard Quality Raisins / Kismis (250gram)

    ৳ 325.00
    অনেকেরই হয়তো জানা নেই, কিসমিস একটি স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন খাবার। এমনকী কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী। এছাড়া কিসমিসে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরে অতিরিক্ত শক্তির জোগান দেয়। শুধু স্বাদেই অতুলনীয় নয় ছোট এই ড্রাই ফ্রুটে অনেক উপকারিতাও রয়েছে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কিসমিসে রয়েছে এনার্জি ৩০৪ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ৭৪.৬ গ্রাম, ডায়েটরি ফাইবার ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.৩ গ্রাম, প্রোটিন ১.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৭ মিলিগ্রাম, আয়রন ৭.৭ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৭৮ মিলিগ্রাম ও সোডিয়াম ২০.৪ মিলিগ্রাম। আসুন জেনে নেই কিসমিসের উপকারিতা সম্পর্কে- সুস্থভাবে ওজন বাড়ায় সব ড্রায়েড ফ্রুট যেমন খেজুর কাজুবাদাম ইত্যাদির মতই, কিসমিস সুস্থ উপায়ে ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ এতে আছে প্রচুর ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোয ও পোটেনশিয়াল এনার্জিতে ভরপুর এই কিসমিস। বডি বিল্ডার বা অ্যাথলিটদের ক্ষেত্রে কিসমিস খেতে বলা হয় কারণ তাদের প্রচুর এনার্জি লাগে বা ওজন বাড়ানোর জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এড়িয়ে কিসমিস খেলে সুস্থভাবে ওজন বাড়তেও সাহায্য পাওয়া যায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে কিসমিসে ক্যাটেচিন নামক একধরনের অ্যান্টিওক্সিডান্ট থাকে যা শরীরে ভেসে বেড়ানো ফ্রি র‍্যাডিকলগুলিকে লড়াই করে নিঃশেষ করে। এটা জানা গেছে যে শরীরের এই ফ্রি র‍্যাডিকলগুলিই ক্যান্সার সেলের স্বতঃস্ফুর্ত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং মেটাস্টাসিসএও সাহায্য করে। কিসমিস নিজের রোজকারের খাবারের মধ্যে রাখলে শরীরে ক্যাটেচিন এর মতন শক্তিশালী অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়,ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে বা যারা এতে আক্রান্ত, তাদের শরীরে বৃদ্ধির পরিমাণ খানিকটা হলেও কমিয়ে দেয়। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে শুনতে আশ্চর্য লাগলেও, কিছু কিছু পরীক্ষায় দেখা গেছে যে কিসমিস পোস্টপ্রান্ডিয়াল ইন্সুলিন রেস্পন্সকে নামিয়ে দেয়, যার মানে দাঁড়ায় যে কিসমিস খেলে লাঞ্চ বা ডিনারের পরে শরীরে যে ইনসুলিনের হঠাত্‍ বৃদ্ধি বা ঘাটতি দেখা দেয়, তা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। লেপটিন আর ঘ্রেলিন নামক দুটি হোরমোনের রিলিজেও কিসমিস সাহায্য করে, যেগুলি শরীরকে সিগনাল দেয় কখন খিদে পেয়েছে বা কখন যথেষ্ট পরিমানে খাদ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তাই কিসমিস খেলে অত্যাধিক খাওয়া রোধ করা সম্ভব। তবে অধিক পরিমাণে কিসমিস খেলে সমস্যা হতে পারে, তাই অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা। কারণ ফ্রুক্টোজ বা গ্লুকোজ ডায়াবেটিস-এর রোগীর জন্য মারাত্মক হতে পারে। মস্তিষ্কের জন্য কিসমিসে থাকা বোরন মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। বোরন ধ্যান বাড়াতে সহায়ক। ফলে কাজে মনোযোগ বাড়ে। এটি বাচ্চাদের পড়াশোনাতেও মনোযোগী করে তুলতে পারে। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে যা রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। এছাড়াও, ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অন্তর্গত বেশ কিছু ভিটামিন এতে পাওয়া যায়, যা নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। কিসমিসে কপারও থাকে যা রেড ব্লাড সেল তৈরিতে সাহায্য করে। জ্বর সারাতে কিসমিসে আছে ফেনল ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, যার জীবাণুনাশক শক্তি, অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল এবং অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট বৈশিষ্ট্য ব্যাক্টেরিয়া এবং ভাইরাল ইনফেকশানের জন্য হওয়া জ্বর কমাতে সাহায্য করে। চোখের স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী চোখের জন্য আদর্শ খাবার। কিসমিস দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। কিসমিসে রয়েছে ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন। দাঁতের যত্নে অলিওনেলিক অ্যাসিড বলে একটি ফাইটো কেমিকল আছে যেটি দাঁতের ক্ষয়, ক্যাভিটি ও দাঁতের ভঙ্গুরতা থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। “স্ট্রেপ্টোকক্কাস মিউটান্স” ও “পরফিরোমনাস জিঙ্গিভালিস”, দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী এই দু’টি ব্যাক্টেরিয়ার বৃদ্ধি ঠেকাতে এই অ্যাসিডের জুড়ি নেই। তাছাড়াও, কিসমিসে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকার জন্য এটি দাঁত শক্ত করে এবং এনামেল গড়তেও সাহায্য করে, যা সুস্থ দাঁতের জন্য খুব দরকারী। হাড়ের স্বাস্থ্য বর্ধন কিসমিসে পাওয়া যায় আরো এক উপাদান, ক্যালসিয়াম, যা হাড় ও দাঁতের জন্য খুব প্রয়োজন। এছাড়াও, বোরন নামক এক মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টও কিসমিসে থাকে যা সঠিক ভাবে হাড় গঠন হতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়ামকে তাড়াতাড়ি শুষে নিতে শরীরকে সাহায্য করে। মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট শরীরে খুব অল্প পরিমাণে দরকার বলেই মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত কিন্তু শরীরে এর উপস্থিতির গুরুত্ব অসীম। তাই বোরন মেনোপজ ঘটে যাওয়া নারীদের মধ্যে অস্টিয়োপোরসিস এবং হাড় ও জয়েন্ট এর জন্য খুব উপকারী।

    Standard Quality Raisins / Kismis (250gram)

    Category: Uncategorized | SKU: 4928
    অনেকেরই হয়তো জানা নেই, কিসমিস একটি স্বাস্থ্যগুণ সম্পন্ন খাবার। এমনকী কিসমিস ভেজানো পানিও শরীরের পক্ষে বিশেষ উপকারী। এছাড়া কিসমিসে থাকা কার্বোহাইড্রেট শরীরে অতিরিক্ত শক্তির জোগান দেয়। শুধু স্বাদেই অতুলনীয় নয় ছোট এই ড্রাই ফ্রুটে অনেক উপকারিতাও রয়েছে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কিসমিসে রয়েছে এনার্জি ৩০৪ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ৭৪.৬ গ্রাম, ডায়েটরি ফাইবার ১.১ গ্রাম, ফ্যাট ০.৩ গ্রাম, প্রোটিন ১.৮ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ৮৭ মিলিগ্রাম, আয়রন ৭.৭ মিলিগ্রাম, পটাসিয়াম ৭৮ মিলিগ্রাম ও সোডিয়াম ২০.৪ মিলিগ্রাম। আসুন জেনে নেই কিসমিসের উপকারিতা সম্পর্কে- সুস্থভাবে ওজন বাড়ায় সব ড্রায়েড ফ্রুট যেমন খেজুর কাজুবাদাম ইত্যাদির মতই, কিসমিস সুস্থ উপায়ে ওজন বাড়াতে সাহায্য করে। কারণ এতে আছে প্রচুর ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোয ও পোটেনশিয়াল এনার্জিতে ভরপুর এই কিসমিস। বডি বিল্ডার বা অ্যাথলিটদের ক্ষেত্রে কিসমিস খেতে বলা হয় কারণ তাদের প্রচুর এনার্জি লাগে বা ওজন বাড়ানোর জন্য ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এড়িয়ে কিসমিস খেলে সুস্থভাবে ওজন বাড়তেও সাহায্য পাওয়া যায়। ক্যান্সার প্রতিরোধে কিসমিসে ক্যাটেচিন নামক একধরনের অ্যান্টিওক্সিডান্ট থাকে যা শরীরে ভেসে বেড়ানো ফ্রি র‍্যাডিকলগুলিকে লড়াই করে নিঃশেষ করে। এটা জানা গেছে যে শরীরের এই ফ্রি র‍্যাডিকলগুলিই ক্যান্সার সেলের স্বতঃস্ফুর্ত বৃদ্ধিতে সহায়তা করে এবং মেটাস্টাসিসএও সাহায্য করে। কিসমিস নিজের রোজকারের খাবারের মধ্যে রাখলে শরীরে ক্যাটেচিন এর মতন শক্তিশালী অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট এর মাত্রা বৃদ্ধি পায়,ফলে ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে বা যারা এতে আক্রান্ত, তাদের শরীরে বৃদ্ধির পরিমাণ খানিকটা হলেও কমিয়ে দেয়। ডায়াবেটিস প্রতিরোধে শুনতে আশ্চর্য লাগলেও, কিছু কিছু পরীক্ষায় দেখা গেছে যে কিসমিস পোস্টপ্রান্ডিয়াল ইন্সুলিন রেস্পন্সকে নামিয়ে দেয়, যার মানে দাঁড়ায় যে কিসমিস খেলে লাঞ্চ বা ডিনারের পরে শরীরে যে ইনসুলিনের হঠাত্‍ বৃদ্ধি বা ঘাটতি দেখা দেয়, তা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। লেপটিন আর ঘ্রেলিন নামক দুটি হোরমোনের রিলিজেও কিসমিস সাহায্য করে, যেগুলি শরীরকে সিগনাল দেয় কখন খিদে পেয়েছে বা কখন যথেষ্ট পরিমানে খাদ্য গ্রহণ করা হয়েছে। তাই কিসমিস খেলে অত্যাধিক খাওয়া রোধ করা সম্ভব। তবে অধিক পরিমাণে কিসমিস খেলে সমস্যা হতে পারে, তাই অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে খাবেন, বিশেষ করে যাদের ডায়াবেটিস আছে তারা। কারণ ফ্রুক্টোজ বা গ্লুকোজ ডায়াবেটিস-এর রোগীর জন্য মারাত্মক হতে পারে। মস্তিষ্কের জন্য কিসমিসে থাকা বোরন মস্তিষ্কের জন্য খুবই উপকারী। বোরন ধ্যান বাড়াতে সহায়ক। ফলে কাজে মনোযোগ বাড়ে। এটি বাচ্চাদের পড়াশোনাতেও মনোযোগী করে তুলতে পারে। অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ কিসমিসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন আছে যা রক্তাল্পতা বা অ্যানিমিয়া কমাতে সরাসরি সাহায্য করে। এছাড়াও, ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের অন্তর্গত বেশ কিছু ভিটামিন এতে পাওয়া যায়, যা নতুন রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। কিসমিসে কপারও থাকে যা রেড ব্লাড সেল তৈরিতে সাহায্য করে। জ্বর সারাতে কিসমিসে আছে ফেনল ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস, যার জীবাণুনাশক শক্তি, অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল এবং অ্যান্টিওক্সিড্যান্ট বৈশিষ্ট্য ব্যাক্টেরিয়া এবং ভাইরাল ইনফেকশানের জন্য হওয়া জ্বর কমাতে সাহায্য করে। চোখের স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী চোখের জন্য আদর্শ খাবার। কিসমিস দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। কিসমিসে রয়েছে ভিটামিন-এ ও বিটা ক্যারোটিন। দাঁতের যত্নে অলিওনেলিক অ্যাসিড বলে একটি ফাইটো কেমিকল আছে যেটি দাঁতের ক্ষয়, ক্যাভিটি ও দাঁতের ভঙ্গুরতা থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। “স্ট্রেপ্টোকক্কাস মিউটান্স” ও “পরফিরোমনাস জিঙ্গিভালিস”, দাঁতের ক্ষয়ের জন্য দায়ী এই দু’টি ব্যাক্টেরিয়ার বৃদ্ধি ঠেকাতে এই অ্যাসিডের জুড়ি নেই। তাছাড়াও, কিসমিসে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকার জন্য এটি দাঁত শক্ত করে এবং এনামেল গড়তেও সাহায্য করে, যা সুস্থ দাঁতের জন্য খুব দরকারী। হাড়ের স্বাস্থ্য বর্ধন কিসমিসে পাওয়া যায় আরো এক উপাদান, ক্যালসিয়াম, যা হাড় ও দাঁতের জন্য খুব প্রয়োজন। এছাড়াও, বোরন নামক এক মাইক্রো নিউট্রিয়েন্টও কিসমিসে থাকে যা সঠিক ভাবে হাড় গঠন হতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়ামকে তাড়াতাড়ি শুষে নিতে শরীরকে সাহায্য করে। মাইক্রো নিউট্রিয়েন্ট শরীরে খুব অল্প পরিমাণে দরকার বলেই মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট হিসেবে পরিচিত কিন্তু শরীরে এর উপস্থিতির গুরুত্ব অসীম। তাই বোরন মেনোপজ ঘটে যাওয়া নারীদের মধ্যে অস্টিয়োপোরসিস এবং হাড় ও জয়েন্ট এর জন্য খুব উপকারী।
  • Neem Oil Premium Quality (250 gram)

    ৳ 370.00
    There is no substitute for neem oil to improve hair and skin health. In addition to reducing infections, it also works well to reduce the incidence of various skin diseases. No regrets with neem oil!

    Neem Oil Premium Quality (250 gram)

    Category: Uncategorized | SKU: 4954
    There is no substitute for neem oil to improve hair and skin health. In addition to reducing infections, it also works well to reduce the incidence of various skin diseases. No regrets with neem oil!
  • Pitol Nakshi Table Spoon-6 Piece Set- পিতলের চামচ

    ৳ 3,000.00 ৳ 2,400.00
    Entirely brass made Nakshi Table Spoon. Our artisan requisites this vintage Spoon Set by hand made design process for your daily use. This item beautifully made as bright as possible. Height: 8 inch Include: 6 Item (6 pieces spoon) Material: Brass Color: As given in the picture

    Pitol Nakshi Table Spoon-6 Piece Set- পিতলের চামচ

    Entirely brass made Nakshi Table Spoon. Our artisan requisites this vintage Spoon Set by hand made design process for your daily use. This item beautifully made as bright as possible. Height: 8 inch Include: 6 Item (6 pieces spoon) Material: Brass Color: As given in the picture
    ৳ 2 400.00Was ৳ 3 000.00
    Save ৳ 600
    ৳ 3,000.00 ৳ 2,400.00
  • Pitol Plain Baby Glass 6 Piece Set- পিতলের বেবি গ্লাস সেট

    ৳ 5,500.00 ৳ 4,800.00
    Entirely brass made Plain Baby Glass 6 Piece Set. This item includes 6 Plain Baby Glass.Our artisan’s hand-made quality requisites this vintage glass. This item beautifully made as bright as possible. Includes: 6 Item (6 plain baby glass) Capacity: 350 ml Height: 3.5 inch Material: Brass Color: As given in the picture

    Pitol Plain Baby Glass 6 Piece Set- পিতলের বেবি গ্লাস সেট

    Entirely brass made Plain Baby Glass 6 Piece Set. This item includes 6 Plain Baby Glass.Our artisan’s hand-made quality requisites this vintage glass. This item beautifully made as bright as possible. Includes: 6 Item (6 plain baby glass) Capacity: 350 ml Height: 3.5 inch Material: Brass Color: As given in the picture
    ৳ 4 800.00Was ৳ 5 500.00
    Save ৳ 700
    ৳ 5,500.00 ৳ 4,800.00
Item added To cart
X
0
    0
    Your Cart
    Your cart is emptyReturn to Shop